খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

ধর্ষণ ও জমি দখলের দাগি আসামিদের হাতে কাপাসিয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত, জমি দখলের চেষ্টা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২৬, ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধর্ষণ ও জমি দখলের দাগি আসামিদের হাতে কাপাসিয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত, জমি দখলের চেষ্টা

অভিযুক্তদের ছবি

 কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সাফাইশ্রী মৌজায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম, শ্লীলতাহানি, স্বর্ণালংকার চুরি ও ভাঙচুরের অভিযোগে কাপাসিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের খিলবাড়ীর টেক এলাকার বাসিন্দা ফাতেহা মাহমুদা ইভা (৫৭) বাদী হয়ে বুধবার দিবাগত রাতে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে মামলাটি (নং—২৯) রুজু করেন।
মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— কাপাসিয়ার সাফাইশ্রী এলাকার মফিজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে মো. মাহফুজুর রহমান রাসেল মোল্লা (৪৬), মৈশন মিয়াবাড়ী এলাকার মৃত হেম মিয়ার ছেলে মাসুদ পারভেজ চৌধুরী (৪২), টঙ্গীর পাগার এলাকার মৃত বিনোদ চন্দ্র বর্মনের ছেলে মানিক চন্দ্র বর্মন (৫০) এবং সাফাইশ্রী এলাকার মৃত মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের ছেলে শঙ্কর চন্দ্র বর্মন (৫৫)। পুলিশের রেকর্ড ও নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মামলার প্রধান আসামি ও তাদের সহযোগীরা এলাকায় ভূমিদস্যুতা ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও ধর্ষণ, জমি দখল ও মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে আঘাতের একাধিক মামলা রয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাফাইশ্রী মৌজায় এসএ খতিয়ান নং-৫৭, আরএস খতিয়ান নং-৬০, এসএ দাগ নং-১৬, আরএস দাগ নং-২১ এর কাতে ৯ শতাংশ জমি ১৯৮৯ সালে ক্রয়সূত্রে মালিক হন ফাতেহা মাহমুদা ইভার মা। সম্প্রতি সেখানে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করলে গত ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আসামিরা বেআইনি জনতাবদ্ধে জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা নির্মাণাধীন দেওয়াল ও ঘর ভাঙচুর করে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে।
পরবর্তীতে ২২ জুলাই রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূ জমিতে থাকা মালামাল দেখতে যাওয়ার পথে সাফাইশ্রী মৌজায় রাস্তার ওপর ওঁৎপেতে থাকা আসামিরা তাঁর পথরোধ করে। ১ ও ২ নম্বর আসামিসহ অন্য আসামিরা তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরে নীলাফোলা জখম করে। এর মধ্যে ২ নম্বর আসামি মাসুদ পারভেজ চৌধুরী রড দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। অন্যদিকে ১ নম্বর আসামি মাহফুজুর রহমান রাসেল মোল্লা গৃহবধূর পরিহিত পোশাক টেনে ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি ঘটান এবং গলায় থাকা ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। পরে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। পুলিশের অভ্যন্তরীণ ক্রাইম রেকর্ড (পিসিপিআর) থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ১ নম্বর আসামি রাসেল মোল্লার বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট কাপাসিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রুজু হয়, যা ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি চার্জশিটভুক্ত (চার্জশিট নং-৭) হয়। এ ছাড়া ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল তাঁর বিরুদ্ধে একই থানায় একটি প্রতারণা মামলাও (মামলা নং-১৫) দায়ের হয়েছিল।
অপরদিকে, ২ নম্বর আসামি মাসুদ পারভেজ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি কাপাসিয়া থানায় জমি দখলের একটি মামলা (মামলা নং-১১/১১) রয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমেদ জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে শ্লীলতাহানি ও চুরির মতো গুরুত্বপূর্ণ অজামিনযোগ্য ধারা যুক্ত রয়েছে। আসামিদের পূর্বের অপরাধের রেকর্ডও পুলিশের পর্যালোচনায় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

যোগফল অনলাইন ডেস্ক

মেসির ‘অসম্মান করবেন না’ মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন রেফারি পিনেইরো

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেসির ‘অসম্মান করবেন না’ মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন রেফারি পিনেইরো

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে লিওনেল মেসির সঙ্গে হওয়া বহুল আলোচিত বাক্যবিনিময় নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেছেন ম্যাচ রেফারি জোয়াও পিনেইরো। তার দাবি, মাঠের ওই কথোপকথন ছিল ফুটবলের স্বাভাবিক অংশ, যা অযথাই বড় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।

সম্প্রতি স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৩৮ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ রেফারি বলেন, মেসির সঙ্গে তার আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ গঠনমূলক এবং ম্যাচ পরিচালনার সময় এমন সংলাপ প্রায়ই হয়ে থাকে।

পিনেইরোর ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাচের এক পর্যায়ে তার রেফারিং দল প্রথমে আর্জেন্টিনার লিয়েন্দ্রো পারেদেসের একটি চ্যালেঞ্জকে হলুদ কার্ডযোগ্য ফাউল হিসেবে বিবেচনা করেছিল। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায়, কোনো ফাউলই হয়নি। বরং সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো ইচ্ছাকৃতভাবে ফাউলের অভিনয় করেছিলেন। যেহেতু সেটি তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পরিস্থিতি ছিল, তাই নিয়ম অনুযায়ী তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়তে বলা হয়। পিনেইরোর দাবি, সেটি প্রথম হলুদ কার্ডের ঘটনাও হলেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।

মেসির সঙ্গে কথোপকথন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মেসি আমার সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিল। অন্য খেলোয়াড়রাও এমন আলোচনা করে থাকেন। অধিনায়করা সাধারণত রেফারিদের সঙ্গে বেশি কথা বলেন এবং নতুন নিয়মেও তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে মেসির নাম জড়িত থাকায় বিষয়টি বেশি আলোচিত হয়েছে। একই ঘটনা অন্য খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও ঘটে, কিন্তু মেসি বা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো থাকলে মানুষ বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখে।”

বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পিনেইরো আরও বলেন, “এসব ছিল গঠনমূলক আলোচনা। প্রতিটি বিতর্কেই হলুদ কার্ড দেখানো বাধ্যতামূলক নয়। হয়তো মেসি আমার কোনো সিদ্ধান্ত ভুল বুঝেছিল। আমরা কথা বলেছি, একে অপরকে বুঝেছি এবং এরপর খেলা স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে গেছে। বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।”

উল্লেখ্য, ম্যাচের ৭২তম মিনিটে সুইজারল্যান্ড সমতায় ফেরার পর ভিএআর পর্যালোচনায় ব্রিল এম্বোলোর ডাইভ ধরা পড়ে। এরপর তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ চলাকালে মেসি ও পিনেইরোর কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে আর্জেন্টিনা অধিনায়ককে বলতে শোনা যায়, “ভালোভাবে কথা বলুন, অসম্মান করবেন না। আমার সঙ্গে সম্মান রেখে কথা বলুন। আমিও আপনার সঙ্গে সম্মান রেখেই কথা বলেছি।”

তবে ম্যাচের পর ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) জানায়, এম্বোলোকে লাল কার্ড দেখানোর ক্ষেত্রে ভিএআর ব্যবহারে নিয়মগত ভুল হয়েছিল। সংস্থাটির ব্যাখ্যায় বলা হয়, ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’ ধারা কেবল অপরাধী খেলোয়াড়কে শনাক্ত করার জন্য প্রযোজ্য; অপরাধের ধরন পরিবর্তন বা নতুন করে মূল্যায়নের জন্য নয়।

যদিও আইএফএবির এই ব্যাখ্যা সামনে এসেছে, তবুও পিনেইরোর মতে, মাঠে অধিনায়কদের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখে আলোচনা করেই ম্যাচ পরিচালনা করা একজন রেফারির দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ব্রাজিলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না নেইমারকে, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রাজিলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না নেইমারকে, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায়

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড নেইমার। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে যে আলোচনা চলছিল, শেষ পর্যন্ত তাতে ইতি টানলেন সেলেসাওদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

কোপা সুদামেরিকানায় ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানান সান্তোসের এই তারকা ফুটবলার। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেয় ব্রাজিল। সেই ম্যাচটিই হয়ে থাকল নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

অবসরের ঘোষণা দিলেও জাতীয় দলকে নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই বলে জানিয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা।

নেইমার বলেন, "ব্রাজিলের হয়ে আমার পথচলা এখানেই শেষ। আমি ইতিহাস গড়েছি, অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত পেয়েছি। এই জার্সির জন্য আমি আমার রক্ত, আমার জীবন, সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। সব সময় লড়াই করেছি। কিন্তু এখন বিদায় বলার সময় এসেছে।"

২০১০ সালের ১০ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হয় নেইমারের। অভিষেক ম্যাচেই করেছিলেন নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল। দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি ব্রাজিলের হয়ে খেলেছেন ১৩১টি ম্যাচ, করেছেন ৮০ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল।

বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও অলিম্পিক—ব্রাজিলের হয়ে বড় সব আসরেই প্রতিনিধিত্ব করেছেন নেইমার। দেশের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়ে শেষ হলো ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের এক গৌরবময় অধ্যায়।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোপালগঞ্জে ট্রাক-নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, যুবক নিহত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে ট্রাক-নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, যুবক নিহত

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ট্রাক ও নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাজু শেখ (১৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নসিমনের চালকসহ আরও দুইজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে বেদগ্রাম-রঘুনাথপুর সড়কের বেদগ্রাম রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, রঘুনাথপুর থেকে একটি নসিমন বেদগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। পথে বেদগ্রাম রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে নসিমনটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের তীব্রতায় নসিমনটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে রাজু শেখসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে রাজু শেখ মারা যান।

পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম